লিস, ঘিস, চেল নদী পেরিয়ে মালবাজারে এসে যখন পৌঁছালাম সাতটা বেজে গেছে। লাটাগুড়ি বাজার থেকে বেশ কিছুটা ভিতরে যখন ঢুকেছি, শুনশান চারিদিক তখন। রাস্তাতেও আলো খুবই কম। রাস্তার অবস্থাও তথৈবচ। একদম অজানা গন্তব্য। এইভাবে কোনোদিন বের হইনি… বেশ থ্রিলিং লাগছে।
আমার বড়দিন
- "তোমাদের দেশে অমৃত পাওয়া যেত না? সমুদ্র তো অনেক ছিল, মন্থন করতে পারোনি! জানো, আমাদের দেশে ঈশ্বর কেন কত অসুরেরও মৃত্যু হয় না, রক্তবীজের এক ফোঁটা রক্তে আরও একশটা রক্তবীজ জন্মায়। পেরেক ঠুকে ঠুকে তোমার শরীর থেকে ওরা এত রক্ত বার করে দিল তার থেকে আর একটা যীশু জন্মাল না! দেখো তোমার মায়ের কত কষ্ট।"
বাবার ডায়েরি
কতদিন বাদে বাবা আর আমি মুখোমুখি! বাইরে তখন দক্ষিণের মৃদুমন্দ হাওয়া বইছে, তেরচা হয়ে ঘরের কার্নিশ থেকে ঢুকে আসছে একফালি রোদ আর গেটের সামনে পরিজনের মত দাঁড়িয়ে থাকা মায়ের লাগানো জুঁইফুলের গাছে ফোটা জুঁইফুলের গন্ধ চুঁইয়ে পড়ছে সারা বাড়িতে। আমি সুযোগ পেয়ে অনুযোগের সুরে বলি - "আবার রজতেশ কেন? ওটা তো আমার অফিসিয়াল নেম।
ফেরা
“ভালবাসা আসলে একটা প্রতিশ্রুতি, তন্ময়। যেটা দুজন মানুষ পরস্পরকে করে। আমাদের ক্ষেত্রে সমস্যাটা হচ্ছে – তুই নিজের মানুষের জীবনটাকেই অস্বীকার করে যাচ্ছিস, দৈনিক। আমার কাছে সিনেমা অমৃতের মতো ছিল। সেই অমৃত ভর্তি গ্লাসে চুমুক দিতে বলেছিলাম তোকে। বুঝিনি, যে সেটা তোর কাছে নার্কোটিক হয়ে দাঁড়াবে। তুই স্বেচ্ছায় মানুষ থেকে জড় পদার্থ হয়ে বাঁচতে চাস। জড় পদার্থের কাছে প্রতিশ্রুতি দেওয়া যায় না। আমিও দেব না আর।
তিন সত্যি
হঠাৎ আনমনেই তাকালেন পিছনের ঝাউবনের দিকে। সূর্যের শেষ আলো গায়ে লেগেছে গাছগুলোর। যেন সত্যি সত্যি অনেকগুলো মানুষ সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, আর সমুদ্রের হাওয়া খাচ্ছে। অনিলাভর মনে হয়, আচ্ছা সত্যি যদি মৃত্যুর পরে মানুষ এরকম গাছ হয়ে যায়!
আলো হৃদয় হরা
ঈশিতা ভাদুড়ি গদ্য ও কবিতা নিয়ে বাংলা ডিজিটাল প্লাটফর্ম 'ও কলকাতা'য় প্রকাশিত হল নতুন পডকাস্ট পর্ব, আলো হৃদয় হরা। সবাইকে শোনার ও মতামত দেওয়ার অনুরোধ রইল।
রথযাত্রা
রথযাত্রা উপলক্ষ্যে শুনুন কবি কুমুদ্রঞ্জন মল্লিকের 'রথযাত্রা' আবৃত্তিতে জয়িতা বন্দোপাধ্যায়
আলো
সকালে অফিস যাওয়ার তাড়া। ঘুম থেকে ওঠার পর কয়েক ঘন্টা সময়, ঝড়ের মত বাথরুম, রান্নাঘর, শোয়ার ঘরে দাপাদাপি করে একসময় ফ্ল্যাটের সিঁড়ি বেয়ে দুদ্দাড় করে নেমে, কাঁধে অফিসব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে পড়ে। তারপর অনেক সন্ধ্যায় আবার ফিরে আসা। এসে পশ্চিমের জানলায় এক কাপ চায়ের মেয়াদ হাতে বসা। বন্ধ বাড়িটার পায়ের কাছে প্রদীপটা আবার জ্বলে ওঠে। অম্লান বসে ভাবতে থাকে, কে জ্বালাল?
মানুষ হওয়া
স্বামীজি দৃপ্ত পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন। সঙ্গে সামান্য একটা লাঠি আর একটা ঝোলা। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে প্রথম সূর্যের আলো এসে ওঁর দেহ, মুখ আর গেরুয়া বসন সোনার রঙে মাখিয়ে দিচ্ছে। যেন আগুনের গোলা চলে যাচ্ছে লাল মাটি বেয়ে। যেন এই পৃথিবীর কেউ নন তিনি। এক কাজ শেষ, অন্য কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।
পাপ
অণুগল্প এবং অডিও স্টোরি
হিসাবের বাইরে
ছোটগল্প - লিখছেন প্রতিমা রায় এখন শুনুন অডিও স্টোরি হিসেবেও



